গ্রামের নাম সারিসুরি। এই গ্রামের সবার একমাত্র পেশা চুরি করা। তবে চুরি করা মালামাল ভোগের ক্ষেত্রে তারা পরাধীন। চুরির একটা ভাগ দিতে হয় অন্য গ্রামের জোতদারকে। সেই জোতদারও একসময় চুরির সঙ্গে জড়িত ছিল। বিপত্তি বাধে এক সুদর্শন চোরকে নিয়ে। মহাজনের মেয়ের সঙ্গে তার ভালোবাসার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। মহাজন তা মানতে চায় না। সে সারিসুরি গ্রামের মানুষদের ঐক্য ভাঙার ষড়যন্ত্র করে। এভাবেই এগিয়ে গেছে নাটকটির কাহিনী।
১০৪ পর্বের সাংঃ সারিসুরি নামের ধারাবাহিক নাটকের নির্মাণকাজ কিছুদিন আগে শুরু হয়ে আবার থেমে যায়। এ প্রসঙ্গে নাটকটির পরিচালক সালাহউদ্দিন লাভলু বলেন, ‘উত্তরবঙ্গের চলনবিলের একটি জনবিচ্ছিন্ন দ্বীপে গত দুই মাস আমরা কাজ করেছি। শুটিং থেকে ফিরে মনে হলো, যেমনটি চেয়েছিলাম তেমনটি হয়নি। এখানে অনেকগুলো নতুন মুখ কাজ করছে। হয়তো এ কারণেই আশানুরূপ কাজ পাইনি। এখন আবার নতুন করে নাটকটির কাজ শুরু করছি।’
চ্যানেল আইয়ে এখন প্রচারিত হচ্ছে ধারাবাহিক নাটক ঘরকুটুম। এখানেও চোরদের প্রসঙ্গ নানাভাবে আসছে। আবার একই নির্মাতার সাং সারিসুরিও চোরদের নিয়ে। কেন? ধারাবাহিকটির নাট্যকার বৃন্দাবন দাস বলেন, ‘চাকরিসূত্রে সুনামগঞ্জের হাওর অঞ্চলে চোরদের একটা গ্রাম দেখেছিলাম। গ্রামটি অমানবিকভাবে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। এর পরই আমি এ রকম গল্প নিয়ে নাটক লেখার সিদ্ধান্ত নিই।’
নাটকটির কাজ এখন আবার শুরু হয়েছে।
সূত্রঃ প্রথম আলো।